এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে মধুর প্রতিশোধ নিলো ভারত

পাকিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হারের শোধ তুলল ভারত। প্রায় ৯ মাস আগে এই দুবাই স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল ভারত। সেই হারের মধুর প্রতিশোধ নিলো এশিয়া কাপের মঞ্চে।

১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বাজে হলেও রবীন্দ্র জাদেজা আর হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ভারত।

লক্ষ্য টপকাতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ভারত। ওভারের দ্বিতীয় বলে অভিষিক্ত নাসিম শাহ বোল্ড করে ফেরান লোকেশ রাহুলকে।

এরপর ৪৯ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামলান রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। ইনিংসের অষ্টম ওভারের শেষ বলে রোহিতকে (১২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। এক ওভার পর বোলিং করতে এসে প্রথম বলেই বিরাটকে (৩৫) ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান নেওয়াজ।

এরপর জাদেজা-সূর্যকুমার যাদব মিলে ৩১ বলে যোগ করে ৩৬ রান। নাসিম শাহ নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলেই বোল্ড করে ফেরান ১৮ রান করা যাদবকে।

পঞ্চম জুটিতে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন জাদেজা। দুজনে মিলে দলকে নিয়ে যান জয়ের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু জয় থেকে মাত্র ছয় রান দূরে থাকতে নেওয়াজের বলে বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় জাদেজাকে (৩৫)।

শেষ ফিনিশিংটা হার্দিকের ব্যাটেই। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে নেওয়াজকে ছক্কা হাঁকিয়ে তুলে নেন রাজকীয় জয়।

পাকিস্তানের পক্ষে ৩ উইকেট নেন নেওয়াজ। ২ উইকেট নেন নাসিম শাহ।

এর আগে সন্ধ্যায় টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৫ ওভারেই শেষ হয় পাকিস্তানের ইনিংস। ভুবনেশ্বর কুমারের তোপে নাকাল হতে হয় পাকিস্তানের ব্যাটারদের।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই মাত্র ১০ রানে বিদায় নিতে হয় বাবর আজমকে। ভুবনেশ্বরের শর্ট বল সামলাতে না পেরে ক্যাচ দেন স্কয়ার লেগে থাকা অর্শদীপ সিংয়ের হাতে।

ফখর জামানের উইকেটটা বোনাস বলতে হয় ভারতের। আভেষ খানের শর্ট বল এজ হয়ে উইকেট রক্ষক দীনেশ কার্তিকের হাতে গেলেও আবেদন করেননি কেউ। তবে ফখর (১০) নিজে থেকেই ছাড়েন উইকেট।

ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদের জুটি থেকে আসে ৪৫ (৩৮) রান। জুটি থামে পান্ডিয়ার বলে ২৮ রান করা ইফতিখারের বিদায়ে। দলীয় ৯৭ রানের মাথায় ৪৩ (৪২) রান করা রিজওয়ানকেও ফেরান পান্ডিয়া।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। শেষ দিকে হারিস রৌফের ১৩ (৭) এবং শাহনেওয়াজ দাহানির ২ ছক্কায় ৬ বলে ১৬ রানের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় পাকিস্তান।

ভুবনেশ্বর কুমার নেন ২৬ রানে ৪ উইকেট। হার্দিক পান্ডিয়া ২৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন অর্শদীপ সিং ও ১ উইকেট নেন আভেষ খান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.