মৃত্যুদণ্ড হয়েছে দুইবার, ফাঁসিতে ঝুলেছি একবার : চঞ্চল চৌধুরী

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। টেলিভিশন, মঞ্চ, চলচ্চিত্র কিংবা বিজ্ঞাপন-মিডিয়ায় সব মাধ্যমেই পদার্পণ তার। শহুরে বা গ্রামীণ চরিত্রে সাবলীল অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করেছেন দর্শকের মাঝে। যেকোনো চরিত্রকে বাস্তবের কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার এক বিশেষ প্রতিভা রয়েছে এই অভিনেতার।

বড় পর্দায় চঞ্চল চৌধুরী বরাবরই প্রশংসিত। এখন পর্যন্ত সেই চরিত্রগুলোর বেশ কয়েকটিতেই কয়েদির ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা নতুন একটি ওয়েব সিরিজের টিজারেও জেলবন্দি আসামি রূপে ধরা দিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।

সফল ক্যারিয়ারে ‘কয়েদির’ যোগসূত্র নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি লিখেছেন, জেল খেটেছি চারবার। মৃত্যুদণ্ড হয়েছে দুইবার। একবার জেল থেকে পালিয়েছি। ফাঁসিতে ঝুলেছি একবার। জেলখানার সঙ্গে আমার অন্যরকম আত্মীয়তা। বলছিলাম আমার অভিনয় জীবনে জেলখানার গল্প।

এই অভিনেতা আরও লেখেন, ‘মনপুরা’,‘আয়নাবাজি’,‘পাপ-পুণ্য’তে আমারই করা চরিত্র সোনাই, শরাফত করিম আয়না, খোরশেদ চেয়ারম্যানের হয়ে জেলে ছিলাম অনেকদিন। সবশেষ দীর্ঘদিন জেলে কাটালাম হইচইয়ের নতুন ওয়েব সিরিজ সৈয়দ আহমেদ শাওকী’র ‘কারাগার’-এর জন্য। খুব শিগগিরই আসছে। সবার জন্য সব সত্য, আমার জন্য অভিনয়।

প্রসঙ্গত, চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘হাওয়া’। মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত মিস্ট্রি, ড্রামা ঘরানার সিনেমাটি মুক্তির আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। বিশেষ করে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটির জন্য। দর্শক সিনেমাটি দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন এবং মুক্তির পরই তারা প্রেক্ষাগৃহে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তবে হাওয়া পরিবর্তন হতে খুব বেশি সময় লাগেনি। আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনায় জড়িয়ে পড়ে ‘হাওয়া’।

Leave a Reply

Your email address will not be published.