কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে শতাধিক ব্যক্তি হাসপাতালে

পবিত্র ঈদুল আজহার মূল আকর্ষণ কোরবানি। ঈদের নামাজ শেষে গরু-ছাগল কোরবানি করতে ছুটে যান মুসুল্লিরা। সঙ্গে যোগ দেয় স্থানীয় শিশু-কিশোর। মূলত কোরবানি দিতে গিয়েই বাঁধে বিপত্তি। সুস্থ্য-সবল প্রাণীর সঙ্গে পেরে উঠতে অনেকেই শেষ শক্তি ব্যয় করেন। এতে কেউ হন বিজয়ী আবার কেউ হন ধরাশায়ী। এখানেই শেষ নয়। জবাই করার পর চামড়া এবং মাংস কাটতে গিয়ে পড়েন বিপাকে। হাত-পা কেটে একাকার অনেকের। এ ঘটনা বেশি ঘটিয়েছে মৌসুমি কসাইরা। এর মধ্যে রয়েছেন কোরবানিদাতারা, সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন সবচেয়ে বেশি। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সবাই বাড়ি ফিরে গেছেন।

কর্মরত হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. আলাউদ্দিন জানান, আহতদের অধিকাংশই মৌসুমি কসাইয়ের কাজ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। এসব করতে গিয়ে কেউ আঙুল কেটেছে, কোরবানি দেওয়ার সময় গরুর আঘাতে আহত হয়েছেন কিছু মানুষ।

প্রত্যেক বছর কোরবানির ঈদের দিন এমন ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সকাল থেকে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হওয়া রোগীর চাপ বেশি ছিল। হাত, আঙুল কাটা কমপক্ষে ১০০ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছেন।

এদের মধ্যে কারও অবস্থাই গুরুতর ছিল না। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তার মতে ঈদের দিনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে পশু কোরবানির ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.