করোনা মহামারীতেও সেশনজট নেই সিমেবি তে, করুন অবস্থা রামেবির নার্সিং শিক্ষার্থীদের

করোনা ভাইরাস এর থাবায় লণ্ডভণ্ড হয়ে পুরো বিশ্বের সকল কার্যক্রম। পিছিয়ে পড়ে অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষাসহ যাবতীয় সকল কিছুই।

সারাবিশ্বের সেই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে এদেশেও,পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘ কয়েকমাস লকডাউন দিতে বাধ্যহয় সরকার।

এই সময়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিক্ষাখাত, প্রায় এক বছরের ও বেশি সময় স্ব শরীরে পাঠদান বন্ধ রাখতে হয় করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে,এসময় পাঠদান চলে অনলাইনে। এতে করে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক হুমকিতে পড়ে।

এদিকে বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষার্থীদের অবস্থা নাজেহাল।বিভিন্ন মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষার্থীদের বর্ষ পর্যালোচনায় দেখা যায় শিক্ষাবর্ষে এগিয়ে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিএসসি শিক্ষার্থীরা।২০১৯-২০ সেশন থেকে সিমেবির অধীনে নার্সিং শিক্ষা-কার্যক্রম শুরু হয়।এখানে ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থীদের ২য় বর্ষের ফলাফল ও প্রকাশ হয়েছে জোর প্রস্তুতি চলছে ৩য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠানের।২০১৮-১৯ সেশন পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিলো সিলেট নার্সিং কলেজ এর শিক্ষার্থীরা।

অন্যদিকে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষার্থীদের অবস্থা একেবারেই নাজুক, ২০১৭-১৮ সেশন থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি ইন নার্সিং শুরুর পর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় একটু একটু করে সেশনজটের দিকে ধাবিত হয় শিক্ষার্থীরা,করোনার থাবায় তা স্পষ্ট হয়। ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীরা যেখানে ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার কথা সেখানে আড়াই মাস পার হলেও প্রকাশিত হয়নি ৩য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল।

এ নিয়ে রামেবির অধীনে সকল শিক্ষার্থীরায় হতাশা ও মানসিক চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

ঢাবি অধিভুক্ত বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষার্থীদের অবস্থা কিছুটা ভালো এখানে ১ম বর্ষ ব্যতীত সকল বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলমান।

পিছিয়ে গেছে চমেবি অধিভুক্ত শিক্ষার্থীরাও।

এদিকে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের অধীনে পরিচালিত ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এণ্ড মিডওয়াইফারি শিক্ষার্থীদের অবস্থাও একই। করোনার থাবায় ৩বছর৬মাসের কোর্স শেষ করতে তাদের সময় লাগবে ৪বছর ২মাসের ও বেশি।

সকল শিক্ষার্থীদের দাবি করোনার ক্ষতি পুশিয়ে নিতে ইন্টার্নিশিপ ৬মাস থেকে কমিয়ে ৩মাস করলে কিছুটা হলেও তাদের জন্যে ভালো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.