বাড়ছে নার্সিং পেশায় আসার প্রবণতা,৩বছরে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেড়েছে প্রায় ০৩গুন

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের অধীনে নার্সিং শিক্ষা কার্যক্রম ডিপ্লোমা ইন নার্সিং ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি পরিচালিত হয়ে আসছে এছাড়াও বিএসসি ইন নার্সিং কোর্স পরিচালিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যার কারিকুলাম প্রদান করে বিএনএমসি।

বর্তমান সরকারের আন্তরিকতায় প্রায় প্রতি বছর ই স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত ও গরিব এবং অসহায় মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্যে নার্স নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে।গত ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

২০১০ সাল পর্যন্ত নার্সিং পেশা কে ৩য় শ্রেণির রাখ হলেও নার্স মাতা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ২০১০ সালে নার্সদের সরকারি চাকুরীতে ২য় শ্রেণীর পদমর্যাদা প্রদান করা হয়। একই সাথে নার্স সংকট নিরসনের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বাড়ানো হয় নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

 

 

২০১৮ সালের পর থেকে বেসরকারিভাবে বাড়তে থাকে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

বর্তমানে সর্বশেষ ডেটা অনুযায়ী বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে নার্সিং ইন্সটিটিউট ৩১৪ টি যেখানে আসন সংখ্যা প্রায় ১৫৭৬০ জনের।এছাড়াও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি অর্থাৎ মা ও শিশু সেবার জন্যে স্পেশাল কোর্স এর জন্যে বেসরকারিভাবে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৮টি যেখানে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান প্রায় ৩২২০জন।অন্যদিকে বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ১৪০ টি আসন সংখ্যা ৬৬০৫জন।

সরকারিভাবে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং ইন্সটিটিউট সংখ্যা ৪৬ টি আসন সংখ্যা ২৭৩০ অন্যদিকে ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ইন্সটিটিউট সংখ্যা ৪১ টি বিপরীতে আসন সংখ্যা ১৫২৫জন। বিএসসি ইন নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সরকারিভাবে ১৩ টি আসন সংখ্যা ১২০০জন, এছাড়াও স্বায়ত্তশাসিত ৭প্রতিষ্ঠান এ বিএসসি ইন নার্সিং এর আসন সংখ্যা ২৩৫।

এসব তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ২০১৮ সালের পরে হুহু করে বেড়েই চলেছে বেসরকারিভাবে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.