লাশের গন্ধে নাজেহাল শিক্ষার্থীরা , ডাইনিং থেকে লাশঘরের দূরত্ব ১০-১৫ফিট

নার্সিং ইন্সটিটিউট, মাদারীপুরের ঘটনা। নার্সিং ইন্সটিটিউটের ঠিক পাশে একই দেয়ালের সাথে ঘেসে গরে তোলা হয়েছে ডোম ঘর।

ইন্সটিটিউটের ডাইনিং রুমটার পাশেই এই ডোম ঘর। জানালার পাশ থেকে ফুট ৬-৭ দূরে হবে বৈকি।
দিন দুপুর আর রাত দুপুর নেই, লাশ আসে সব সময়েই। ভালো লাশ, মন্দ লাশ, পঁচা গলা লাশ। শবব্যবচ্ছেদের সময় খুলি ভাঙার শব্দে ঘরে থাকাও ভীতিকর হয়ে যায় নবাগত শিক্ষার্থীদের।
পূরণো শিক্ষার্থীদের সেটা হয়তো অভ্যেস হয়ে গেছে।
কিন্তু খাবার সময় লাশ কাটায় ঘন্ধ নাকে এলে খাওয়াদাওয়ায় সমস্যাটা সবারই হয়।
প্রায়ই পঁচা লাশ আসে। তখন অবস্থা আরো বেগতিক। লাশের গন্ধে খাওয়া তো পরের কথা ক্লাশেই অসুস্থ হয়ে পরতে হয় অনেকের। অনেক সময় ক্লাশ নেয়াও বা অবস্থান করাও সম্ভব হয় না।
এই অপরিকল্পিত নির্মাণ সত্যিই মানুষে ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকির কারণ। তাই যে কোনো স্থাপনার আগে অবশ্যই কয়েক বার কয়েক দিক থেকে ভেবে পরিবেশে ও জনবান্ধব স্থাপনা কথা উচিৎ।
এই মানহীন ঝুঁকিপূর্ণ ডোম ঘর স্থানান্তরের দাবী সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সহ আমাদের সবার।
আশা আক্তার,
স্টাফ রিপোর্টার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.