কোভিড ১৯ এ প্রান গেলো ৭০জনের,আক্রান্ত আড়াই হাজার

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৫৬৩ জনে। এ সময় আরও দুই হাজার ৪৩০ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে।

আজ রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯৭টি করোনা পরীক্ষাগারে ২৪ হাজার ৮৯১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে আগের কিছুসহ মোট ২৫ হাজার ১৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ১৫টি। পরীক্ষায় আরও দুই হাজার ৪৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৪৫৬ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একদিনে মৃত ৭০ জনের মধ্যে পুরুষ ৪০ জন ও নারী ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে ৫০ জন সরকারি, ১৮ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং দুইজন বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ১৮৮ জন পুরুষ (৬৪.৭১ ভাগ) ও নয় হাজার ৩৭৫ জন নারী (৩৫.২৯ ভাগ) রয়েছেন।

এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও পাঁচ হাজার ৬০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৬০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার শতকরা ৯ দশমিক ৬৬ ভাগ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭১ ভাগ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৫ দশমিক ৮১ ভাগ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৫ ভাগ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে বিশোর্ধ্ব তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব চারজন, চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৪ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৪২ জন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকায় ৩১ জন, চট্টগ্রামে ২০ জন, রাজশাহীতে তিনজন, খুলনায় তিনজন, বরিশালে দুইজন, সিলেটে ছয়জন, রংপুরে চারজন ও ময়মনসিংহে একজন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পৃথিবীজুড়ে মহামারীতে রূপ নেয়। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়ে গত বছর ৮ মার্চ। এরপর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.