হাসপাতালেই নার্সিং শিক্ষার্থীদের এপ্রোন খুলে নিলেন নার্সিং সুপারভাইজার

Spread the love

ডিউটিরত নার্সিং শিক্ষার্থীদের শরীর থেকে এপ্রোণ খূকে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন নার্সিং ইন্সটিটিউট ফেনির শিক্ষার্থীরা।

আজ সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে লিখিত অভিযোগ এনেছে ওই হাসপাতালের নার্স সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে।

নিম্নে বর্ণিত আমাদের অভিযোগ সমূহ

১. বহিরাগতদের সামনে নার্সিং সুপারভাইজার কর্তৃক হয় বর্ষের শিক্ষার্থীর এপ্রোন খুলে নেয়া হয়েছে। এমনকি খালি পায়ে হোস্টেলে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের আয়া-মাসি কর্তৃক  আমাদের  সুপারভাইজার ও স্টাফনার্স কর্তৃক আমাদের অশালিন ভাষায় গালি দেওয়া হয়।

২. হিজাব খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

৪. আমাদের অকথ্য সে চোর অপবাদ দেওয়া হয়েছে।

৫. আমাদের ইনিস্টিটিউট এবং হোস্টেলে আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে আমাদের স্টুডেটদের অফিসে নিয়ে হেস করা হয় বানোয়াট কথাও আমাদের বলা হয়, নটি ৬. আমাদের কুত্তার বাচ্চা, নটি, ফকিন্নির বাচ্চা বস্তির লোক বলে গালি দেওয়া হয়।

  1. শিক্ষার্থীদের অভিযোগ

৭. ইনিস্টিটিউটের ম্যামদের ও গালি দেওয়া হয়। আমাদের ম্যামরা নাকি পতিতা।

৮. স্টাফ নার্স থেকে কিছু শিখতে চাইলে তাদের আমাদের বলা হয় উনি আমাদের নার্সিং টিউটর না।

৯. এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নাইট করাতে নিয়ে যাওয়া হয়।

১০.নার্সিং ইনচার্জকে আপু বলায় গায়ে হাত তুলতে চেষ্টা ভুল করা হয়। এমনকি সুপারভাইজরকেও আপু বলার ১১। অনেক হেনস্ত করা হয়।

১১. আমাদের হাতে টাকা দিয়ে সকলের জন্য নাস্তা আনতে পাঠানো হয়।

১২. রোগীর লোক থেকে আমাদের নাম করে টাকা আনা হয়।

১৩. রোস্টারে আমাদের নাইট ডিউটি না থাকা সত্ত্বেও আমাদের ঘুম থেকে তুলে টিউটিতে পাঠানো হয়।

১২. আমাদের সেইফটির জন্য অবশ্যই আমাদের অবশ্যই মোবাইল দরকার। কারণ ওয়ার্ড ইনচার্জরা আমাদের উপর দায়িত্ব দিয়ে রাতেও ঘুমাতে চলে যায়, ইভিনিং এ আমাদের দায়িত্ব দিয়ে ওয়ার্ল্ড ছেড়ে চলে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.