নার্সিং শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় চলন্ত ট্রেনে পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন মা

Spread the love

গতকাল বৃহস্পতিবার নার্সিং শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় চলন্ত ট্রেনে  শিশু সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক মা।

 

প্রথম আলো পত্রিকার বরাত দিয়ে জানা যায় চলন্ত ট্রেনে প্রসব ব্যাথা উঠলে কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে খোজ করেন চিকিৎসক এর দূর্ভাগ্যবশত এসময় কোনো চিকিৎসক যাত্রা করছিলেন না   সেই ট্রেনে।

এরপর ই দুজন নার্সিং শিক্ষার্থী (নাম জানা যায় নাই) এগিয়ে আসেন সেই মায়ের সহযোগিতা করার জন্যে।

জানা যায় তাদের সহযোগীতায় কোনো প্রকার জটিলতা ছাড়ায় চলন্ত ট্রেনেই জন্ম হয় নবজাতকের।

 

প্রথম আলো পত্রিকার সংবাদ তুলে ধরা হলো

চলন্ত ট্রেনে জন্ম নিল শিশুটি
অন্তঃসত্ত্বা সাবিনা ইয়াসমিন (২৫) খুলনা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে ওঠেন গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায়। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যই রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর প্রসবব্যথা উঠলে ট্রেনের মধ্যেই রাজশাহীর আড়ানী এলাকায় চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব করেন তিনি। একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছেন এই মা

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. আবদুল করিম বলেন, সন্তান প্রসবের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী স্টেশনে সন্তান নিয়ে এই মা পৌঁছান। পরে রেলওয়ে অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্বজনদের সঙ্গে এ বিষয়ে আবদুল করিমের কথা হয়। তাঁদের বরাত দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সাবিনা ইয়াসমিন, তাঁর স্বামী ও এক নারী সাগরদাঁড়ি ট্রেনে ওঠেন। তাঁরা রাজশাহী মেডিকেলের দিকেই আসছিলেন। পথে রাজশাহীর আড়ানী এলাকায় ওই নারীর প্রসবব্যথা ওঠে। পরে ট্রেন কর্তৃপক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে একজন চিকিৎসকের খোঁজ করেন। এ সময় ওই ট্রেনে নার্সিংয়ের দুজন শিক্ষার্থী ছিলেন। এই ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁরা এসে বাচ্চা প্রসবের কাজটি সম্পন্ন করেন।

ট্রেনে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত জায়গা থেকে কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। পরে তাঁরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান। এখান থেকে দ্রুত তাঁদের রাজশাহী মেডিকেলে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.